ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন মৃধার বহিষ্কারাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর ৬ইজানুয়ারী ২০২৬ স্বাক্ষরিত পত্রে প্রত্যাহার করেছেন।
জানা গেছে, চরভদ্রাসন উপজেলায় বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন মৃধা ২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় দলীয় শৃঙ্খলার ভঙ্গ করেন।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ফারুক হোসেন মৃধার সকল পদ পদবী স্থগিত করেন। বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন মৃধার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নীতি নির্ধারকেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের বহিষ্কৃত ফারুক হোসেন মৃধা সহ সকল নেতাকর্মীর স্থগিত পদ পদবী স্থগিতাদেশ প্রতাহার করে ।
আরো জানা গেছে ফারুক হোসেন মৃধা১৯৮৬ সালে ছাত্রদলের কলের শাখার সভাপতি ছিলেন। ১৯০৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ছিলেন নির্বাচনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল। মাত্র ৬৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তিনি ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক মন্ত্রী কামাল ইবনে ইউসুফেরও ফরিদপুর ৪ আসনের সংসদ সদস্য আকমল ইবনে ইউসুফের নির্দেশে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেন।
২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন। বাকশালী স্বৈরশাসনের নির্বাচন অংশগ্রহণ করায় ফারুক হোসেন মৃধার পদ পদবী স্থগিত হয়। একদিকে নির্বাচনে প্রতিকূল পরিবেশে নিক্সন চৌধুরী চাপে নির্বাচন থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। অপরদিকে দল হতে বহিষ্কার হন। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হতে বহিস্কার হলেও ফারুক হোসেন মৃধা দলের সকল কর্মকান্ডে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছেন। তিনি আগামীতে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।