1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
পিচ উঠে সড়কে বড় বড় খানাখন্দ, চার বছর ধরে দুর্ভোগ
Tuesday, 22 September 2026, 10:47 am
Headline :
জামায়াতের দাবি, সাইবার সুরক্ষা আইন বহাল রেখে সংশোধিত খসড়া বাতিল করতে হবে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে আদালতে অপ্রতিম হত্যার ৪ আসামির মধ্যে ৩ জনের স্বীকারোক্তি অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য সহযোগিতায় চার অগ্রাধিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একনেকে অনুমোদন পেল রাজধানীর তিন মেট্রোরেল প্রকল্প রিজভী: ভারতের হাতে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘সুইচ’, যেকোনো সময় সরবরাহ বন্ধের শঙ্কা হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি শিল্প-কারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

পিচ উঠে সড়কে বড় বড় খানাখন্দ, চার বছর ধরে দুর্ভোগ

  • Update Time : Monday, 31 August, 2026, 02:10 pm
  • 26 Time View




ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: আব্দুস সালাম মোল্লা

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি ও কাদা জমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রায় চার বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি স্থানীয়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। পাশাপাশি পণ্যবাহী যানবাহনসহ বিভিন্ন ধরনের যান চলাচল করে। তবে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন অংশ এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যোগারদিয়া বটতলা মেইন রোডের অংশটির অবস্থা সবচেয়ে নাজুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

রোববার (৩০ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও গর্ত তুলনামূলক ছোট, আবার কোথাও বড় বড় খানাখন্দ দেখা গেছে। এসব গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহন কখনো সড়কের এক পাশ দিয়ে, আবার কখনো মাঝখান দিয়ে চলাচল করছে। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

 

সড়কটির সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। গর্তে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় তাদের ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। বৃষ্টির সময় গর্তে পানি ও কাদা জমে গেলে কোনটি সড়ক আর কোনটি গর্ত, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

 

স্থানীয় পাট ব্যবসায়ী আজিজাল মোল্যা, সেকেন্দার মাস্টার ও ব্যবসায়ী মো. রাজিব হোসেন বলেন, সড়কের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং পিচ উঠে গেছে। বৃষ্টি হলে গর্তগুলো পানি ও কাদায় ভরে যায়। তখন যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হয়।

 

তারা বলেন, এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগীসহ সবাইকে চলাচল করতে হয়। পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এ দুর্ভোগ চললেও কার্যকর সংস্কার হয়নি। বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তারা।

 

সালথা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিয়া বলেন, নতুন প্রকল্পের আওতায় সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হয়ে এলে সড়কটির উন্নয়নকাজ করা হবে।

 

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, সড়কটির সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category