1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর
Thursday, 24 September 2026, 03:52 pm
Headline :
গঙ্গার পানিবণ্টনে নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ৮ অক্টোবর মেধার মূল্যায়নে দলীয় প্রভাব নয়, সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের জাতিসংঘে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে টেকসই শান্তিতে নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের জোর সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের কৌশলগত হতাশার বহিঃপ্রকাশ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে খরচ প্রায় ৬ হাজার কোটি, এ বছর নাও হতে পারে বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারে দুই নেতার প্রত্যয় চীনের সঙ্গে এআই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সামনে যত চ্যালেঞ্জ

সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

  • Update Time : Wednesday, 23 September, 2026, 03:05 pm
  • 7 Time View




সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করা হয়েছে।

 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এদিন প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

মামলাটি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৮ জুলাই সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম।

 

মামলার এজাহারে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনুমোদিত প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, চুক্তি সম্পাদন এবং ঠিকাদারকে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

দুদকের মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) অনুসরণ না করে প্রকল্পের নকশায় পরিবর্তন আনেন। পাশাপাশি ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের একটি চুক্তি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই সম্পন্ন করার অভিযোগও করা হয়েছে।

 

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ঠিকাদারের চলমান বিল থেকে কেটে নেওয়া নিরাপত্তা জামানতের অর্থ ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে রাখা হয়। পরে ওই অর্থ ঠিকাদারকে ঋণ হিসেবে দেওয়ার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ অনুমোদন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গ্যারান্টার হওয়ার মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

এ ছাড়া ঠিকাদারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ দেওয়ার কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও তাকে অগ্রিম বিল পরিশোধ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই অগ্রিম বিল সমন্বয় করার আগেই বিলের বিপরীতে দেওয়া ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার অভিযোগও করা হয়েছে মামলায়।

 

দুদকের অভিযোগে প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের কথা বলা হয়েছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যে ড্রইং বা ডিজাইন দিয়েছিল, তা অনুসরণ না করে সরকারি ক্রয় পদ্ধতির বিধি লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়।

 

এ ছাড়া দরপত্রে অস্বাভাবিক হারে মূল্য দাখিল বা ‘ফ্রন্ট লোডিং’ থাকার পরও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী দরপত্র মূল্যায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছে দুদক। এ ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) ২০০৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসরণ করা হয়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু এবং এম এম হাবিবুর রহমান।

 

আদালতে বুধবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না পড়ায় মামলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে ১৭ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন দুদক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত হবে।

 

তবে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত মতামত জানা যাচ্ছে না। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগও আদালতের চূড়ান্ত রায়ে প্রমাণিত হওয়ার আগে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

 

দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলাটির পরবর্তী আইনি কার্যক্রম নির্ধারিত হবে। আগামী ১৭ নভেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখকে কেন্দ্র করে মামলার পরবর্তী অগ্রগতি জানা যাবে।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category