1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
সুনামগঞ্জে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
Wednesday, 23 September 2026, 05:55 am
Headline :
চীনের সঙ্গে এআই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সামনে যত চ্যালেঞ্জ বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষাদানে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি বারবার প্রতারণার কারণে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি জামায়াত: রিজভী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাস ভাড়া বাড়ল প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা রিজভীর বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলল জামায়াত সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জামায়াতের দাবি, সাইবার সুরক্ষা আইন বহাল রেখে সংশোধিত খসড়া বাতিল করতে হবে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে আদালতে অপ্রতিম হত্যার ৪ আসামির মধ্যে ৩ জনের স্বীকারোক্তি

সুনামগঞ্জে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

  • Update Time : Wednesday, 1 July, 2026, 04:21 pm
  • 67 Time View




সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

 

সুনামগঞ্জ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (জনস্বাস্থ্য) বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, টেন্ডার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে গ্রীন কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী উজ্জল মিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একচেটিয়াভাবে প্রকল্পের কাজ নেওয়া এবং বাস্তবায়নে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার ও প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

 

অভিযোগপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও পূর্ববর্তী সময়ে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী চক্র জেলার উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ছিল। স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের ভাষ্য, ওই চক্রের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল গ্রীন কনস্ট্রাকশন।

 

স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, অধিকাংশ দরপত্রে কার্যকর প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ছিল না। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেন, দরপত্রে অংশ নিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের চাপ ও বাধার মুখে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এভাবে পরিচালিত তথাকথিত ‘ম্যানেজড টেন্ডার’ ব্যবস্থার মাধ্যমে অধিকাংশ কাজ গ্রীন কনস্ট্রাকশনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

 

এদিকে, একাধিক সূত্রের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিল উত্তোলন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পন্ন দেখিয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলনের মতো অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি সরবরাহ লাইন, টিউবওয়েল স্থাপন, পাইপলাইন নির্মাণ এবং স্যানিটেশন প্রকল্পের বেশ কয়েকটি কাজ অল্প সময়ের মধ্যেই অকেজো হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ শেষ দেখানো হলেও বাস্তবে অনেক স্থানে নির্মাণকাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের।

 

এ ছাড়া, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি প্রভাবশালী চক্রের সঙ্গে যোগসাজশে এসব অনিয়মে সহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রের প্রভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি।

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল, ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপব্যবহারের প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে।

 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্রীন কনস্ট্রাকশন বা এর স্বত্বাধিকারী উজ্জল মিয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category