1. smbappy1@gmail.com : bappi : bappi
  2. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  3. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  4. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
  5. news@gmail.com : morning24 :
কৃষক ঘুষ ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারছেন না
Tuesday, 01 September 2026, 03:06 am

কৃষক ঘুষ ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারছেন না

  • Update Time : Wednesday, 1 July, 2026, 04:31 pm
  • 45 Time View
60

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কৃষক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত অঙ্কের টাকা না দিলে সরকারি গুদামে ধান জমা নেওয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে লটারিতে নির্বাচিত কিছু কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তাদের অজান্তেই ধান বিক্রি দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে।

 

চলতি মৌসুমে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে মাথাপিছু সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান সরকারি খাদ্য গুদামে বিক্রির সুযোগ রয়েছে। তবে কয়েকজন কৃষকের দাবি, বাস্তবে এ সুযোগ পেতে তাদের বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে।

 

উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কৃষক তানভীর হোসেন অভিযোগ করেন, শ্রমিক মজুরি, অফিস খরচসহ বিভিন্ন খাতের কথা বলে খাদ্য গুদামের অফিস সহকারী সাদ্দাম হোসেন তার কাছ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের কৃষক হাফেজ বিল্লাল হোসেনের দাবি, ধান জমা দিতে গিয়ে তাকেও অফিস খরচের নামে ৬ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

 

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি উদ্যোক্তা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. আতাউর রহমান সরকার বলেন, লটারিতে নির্বাচিত হওয়ার পরও অনেক কৃষক ঘুষ ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারছেন না। তিনি দাবি করেন, হয়রানি এড়াতে তাকেও অফিস খরচের নামে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

 

এদিকে দুর্গাপুর ইউনিয়নের কৃষক সুরুজ মোল্লা অভিযোগ করেন, তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কে বা কারা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

 

অভিযোগের বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসমান গনি বলেন, যে টাকা নেওয়া হয়েছে তা সরকার নির্ধারিত ভ্যাট, আইটি ও শ্রমিক খরচের জন্য। তবে অফিস সহকারী যদি এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকেন, তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

চাঁদপুরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুর রহমান খান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তার জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মতলব উত্তর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, কৃষক নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মতলব উত্তর উপজেলায় লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ৩০৯ জন কৃষকের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে মোট ৯২৩ মেট্রিক টন ধান এবং ৩৮ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category