1. smbappy1@gmail.com : bappi : bappi
  2. ihossain.kh@gmail.com : ismail hossain : ismail hossain
  3. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  4. news@gmail.com : morning24 :
ফলবাগান রক্ষার জালে প্রাণ যাচ্ছে শত শত পাখির, টাঙ্গাইলে পরিবেশ বিপর্যয়ের অভিযোগ
Tuesday, 23 June 2026, 05:50 am
Headline :
কুমিল্লায় ফার্মেসিতে যৌথ অভিযান: ওষুধ বিক্রির আড়ালে মাদক ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার-১ হান্নান মাসউদকে ডেপুটি স্পিকার: ‘এটা শাহবাগ নয়, দয়া করে বসুন’ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জ্বালানি গবেষণায় বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক কুমিল্লা সীমান্তে ১০ হাজার ২০০ ইয়াবা জব্দ: বিজিবি সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চেয়ারম্যান,এমডি কারাগারে: মব গোষ্ঠির দখলে মোহনা টিভি খুলনা শিরোমনি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল এর ট্রাস্টিবোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন প্রতিমন্ত্রীর বাসভবনে শিশুদের বৈশাখ উদযাপন সাংবাদিক শুভ্রর নিরাপত্তা দাবি, অপরাধচক্র দমনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শুভ্রর নিরাপত্তা দাবি, অপরাধচক্র দমনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

ফলবাগান রক্ষার জালে প্রাণ যাচ্ছে শত শত পাখির, টাঙ্গাইলে পরিবেশ বিপর্যয়ের অভিযোগ

  • Update Time : Friday, 10 April, 2026, 04:36 pm
  • 59 Time View
82

টাঙ্গাইলের একটি ফলবাগানে ফসল রক্ষার নামে পাতা জালে আটকে শত শত বন্য পাখির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত প্রায় এক মাস ধরে বাগানজুড়ে পাতানো নাইলনের সূক্ষ্ম জালে দোয়েল, শালিক, ঘুঘুসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি আটকে প্রাণ হারাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধানপুর ইউনিয়নের নুরনগর ওয়ার্ডের বটতলা বিট এলাকার কৃষক গফুর ও তার সন্তান ফারুক তাদের ফলবাগান রক্ষায় গাছজুড়ে শক্ত প্লাস্টিক বা নাইলনের জাল ব্যবহার করেন। ফলের লোভে আসা পাখিরা সেই জালে আটকে পড়ছে বলে অভিযোগ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগানের বিভিন্ন গাছে জাল টানানো অবস্থায় রয়েছে, যেখানে বহু পাখির নিথর দেহ ঝুলে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনই এভাবে পাখির মৃত্যু ঘটছে।

এক স্থানীয় পরিবেশকর্মী বলেন, “ফসল রক্ষার অধিকার কৃষকের আছে, কিন্তু নির্বিচারে পাখি হত্যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্টতই পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী আইনের লঙ্ঘন।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার সতর্ক করার পরও ওই কৃষক বিকল্প কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করেননি। এতে এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, এভাবে পাখি নিধন চলতে থাকলে স্থানীয় জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তাদের মতে, এসব পাখি প্রাকৃতিকভাবে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে পাখির সংখ্যা কমে গেলে কৃষিজমিতে পোকামাকড়ের আক্রমণও বাড়তে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত কৃষি ও বন বিভাগের নজরে আনা উচিত এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প পদ্ধতিতে বাগান সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

 

​ নাজমুল আদনান টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি

Facebook Comments Box
More News Of This Category