মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপিলের সুযোগ পাবেন কি না, তা প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের মধ্যে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস: বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়নে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন। দেশে ফিরলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে নাকি তিনি আপিলের সুযোগ পাবেন—এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আপিল করতে চাইলে বিষয়টি আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির আপিলের অধিকার রয়েছে কি না, সেটি ব্যক্তিবিশেষের জন্য আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করার বিষয় নয়। প্রচলিত আইন এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশন করার প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা ডিজিটাল হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের পাশাপাশি বহুবিবাহ এবং বিয়ে সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি ঠেকানো সহজ হবে।
ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থার তথ্যও দ্রুত ও সহজে যাচাই করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা হবে। এতে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সহজ হওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সেবার মানও বাড়বে।