আলতাব হোসেন
মঙ্গলবার দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রচারণা কার্যক্রমে জলবায়ু সহনশীল মহিষপালন সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিচালক ড. সুমনা আক্তার অংশ নেন। কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে মহিষের মাংস ও দইয়ের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রকল্পটির অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড। আয়োজকেরা জানান, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার অংশ হিসেবে মহিষজাত পণ্যের পুষ্টিমান সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোই ছিল এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
প্রকল্প কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, গরুর মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে কোলেস্টেরলের পরিমাণ প্রায় ৭০ থেকে ৯০ মিলিগ্রাম, যেখানে মহিষের মাংসে তা প্রায় ৪০ থেকে ৬০ মিলিগ্রাম। ফলে মহিষের মাংস তুলনামূলকভাবে কম কোলেস্টেরলযুক্ত এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
তাঁরা আরও জানান, যাঁদের অ্যালার্জিজনিত সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্যও মহিষের মাংস একটি বিকল্প হতে পারে।
প্রচারণায় মহিষের দইয়ের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকেরা জানান, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে মহিষের মাংস ও দই সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি এবং সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।