এ. কে. পলাশ
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখিয়ে আটক করা এক সাংবাদিককে প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর আদালতের মাধ্যমে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
আটক হওয়া সাংবাদিক সোহরাব হোসেন স্থানীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর দেবিদ্বার প্রতিনিধি এবং দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে দেবিদ্বার উপজেলার এনসিপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থানকালে সিআর মামলা নম্বর ৫৭৩/২০২৫-এর একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়।
পরদিন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তাঁর নামে কোনো বৈধ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নেই বলে জানান এবং মুক্তির নির্দেশ দেন।
মুক্তির পর সোহরাব হোসেন অভিযোগ করেন, জামিনে থাকা সত্ত্বেও তাঁকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হয়েছে। ভুয়া পরোয়ানা ব্যবহার করে তাঁর মানহানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আদালত থেকে পাওয়া পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে আটক করা হয়েছিল। তবে পরে সেটি ভুল বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার জসিম উদ্দিন বলেন, পরোয়ানাটি ভুলবশত থানায় পাঠানো হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ভুয়া পরোয়ানা বা জাল নথির মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ উদ্বেগজনক। এতে সাধারণ মানুষের আইনি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।