1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
টানা বর্ষণে কক্সবাজারে পাহাড়ধস, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও শহরে নিহত ৯
Saturday, 12 September 2026, 09:53 am
Headline :
ফ্যাসিবাদের সময়ে গ্যাস উত্তোলনের বিন্দুমাত্র চেষ্টা করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী নয়: শফিকুর রহমান ইরানের পাশে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি অন্য মামলা না থাকলে সাজা শেষে খালাস পাবেন বিডিআর সদস্যরা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: পানিসম্পদ মন্ত্রী শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ আইন অনুযায়ী নির্ধারণ হবে: আইনমন্ত্রী পলিথিন-প্লাস্টিক বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যবসায়ীদের হয়রানি করে কর আদায় নয়: অর্থমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর

টানা বর্ষণে কক্সবাজারে পাহাড়ধস, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও শহরে নিহত ৯

  • Update Time : Monday, 6 July, 2026, 03:19 pm
  • 51 Time View




এস. এম. লুৎফুর কবির | কক্সবাজার

টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির ও শহরের পৃথক পাঁচটি পাহাড়ধসের ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত উখিয়ার জামতলী, কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে চারটি এবং কক্সবাজার শহরের সাত্তারঘোনা এলাকায় একটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।

সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে রাত দেড়টার দিকে উখিয়ার জামতলী আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-১৫) ডি-৬ ব্লকে। তথ্য বলছে, পাহাড়ের একটি অংশ ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়ে কামাল হোসেন (৪৪), তাঁর স্ত্রী হুমাইরা বেগম (৩৯) ও তাঁদের চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আনাস নিহত হন। আহত হন পরিবারের আরও দুই সদস্য। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পর রাত দুইটার দিকে কুতুপালংয়ের ৭ নম্বর আশ্রয়শিবিরের ডি-৭ ব্লকে পাহাড়ধসে রশিদ উল্লাহর সাত বছর বয়সী ছেলে একরাম নিহত হয়।

রাত সাড়ে তিনটার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর আশ্রয়শিবিরের সি-১১ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হন। তাঁরা হলেন উম্মে হাবিবা (২৭), তাঁর বোন তানজিনা আক্তার (১৩) এবং দুই ভাই রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩)। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বলেন, রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় মোট আটজনের মৃত্যু হয়েছে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালান। তবে টানা বৃষ্টি, কাদা ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।

এদিকে সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে কক্সবাজার শহরের সাত্তারঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর (৫০) নিহত হন। পাহাড়ধসে তাঁর বসতঘর চাপা পড়লে স্থানীয়রা তাঁকে ও পরিবারের আরও দুই সদস্যকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী শহরের পাহাড়ধসের ঘটনায় একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, টানা বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ঢালে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে মাইকিং করে সতর্কবার্তাও প্রচার করা হচ্ছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জেলাজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ২৫০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি আরও অন্তত দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category