জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, যারা মজুতদারি ও কালোবাজারির মাধ্যমে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগ করা হতে পারে।
প্রতিবেদকের সূত্র জানায়, শনিবার ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন, “আপনারা কঠোর হোন। নিজের দলের নেতাকর্মী জড়িত থাকলেও তাকে সবার আগে গ্রেফতার করতে হবে।”
আইনমন্ত্রী বলেন, “তেল সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এই সংকটটা তৈরি হচ্ছে এক শ্রেণির মানুষ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার জন্য। মোটরসাইকেল ও গাড়ি ব্যবহার করে একই তেল একদিনে দুই-তিনবার লাইন দিয়ে নিয়ে গিয়ে বাসায় রেখে বোতলে বা ড্রামে ভর্তি করছে, এবং আবার তেল নিতে আসছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা এতদিন সফট লাইনে ছিলাম। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে সেকশন ২৫-এ যে শাস্তির বিধান করা হয়েছে, প্রয়োজনে তা আমরা প্রয়োগ করব। এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। যদি বিএনপির কোনো নেতাকর্মী এর সঙ্গে জড়িত থাকে, তাকে সবার আগে গ্রেফতার করুন। যদি কেউ তার পক্ষে তদবির করে, তাকেও সহযোগী হিসেবে গ্রেফতার করতে হবে। আমরা যেকোনো মূল্যে কালোবাজারি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
স্থানীয় প্রশাসনের সূত্র জানায়, খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা। অনুষ্ঠান ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে স্থানীয়রা আশ্বাস পেয়েছেন, তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।