1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
অনলাইন বুলিং ও অপপ্রচার বন্ধে নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন হচ্ছে
Thursday, 10 September 2026, 03:05 pm
Headline :
বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: পানিসম্পদ মন্ত্রী শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ আইন অনুযায়ী নির্ধারণ হবে: আইনমন্ত্রী পলিথিন-প্লাস্টিক বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যবসায়ীদের হয়রানি করে কর আদায় নয়: অর্থমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মামুনুল হক মেডিক্যাল কলেজে আসন বাড়ানোর পরিকল্পনা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসা থেকেই অফিসের কাজ করছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী, দ্রুত ফিরবেন সচিবালয়ে রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন বুলিং ও অপপ্রচার বন্ধে নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন হচ্ছে

  • Update Time : Thursday, 10 September, 2026, 02:16 pm
  • 5 Time View



অনলাইন বুলিং ও অপপ্রচার বন্ধে নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক

ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, অনলাইন বুলিং, অপপ্রচার, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং অশ্লীল ভাষার ব্যবহার ঠেকাতে একটি নতুন ও যুগোপযোগী সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও পরামর্শ নিয়ে মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই আইনটি প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।

মানুষের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সাইবার জগৎ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ডের কিছু মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সামাজিক পরিবেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই দেশের জনগণকে সাইবার জগতের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা দিতে একটি কার্যকর আইন প্রয়োজন।

তবে নতুন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনটিও হতে হবে যুগোপযোগী। একই সঙ্গে নাগরিকদের অধিকার যাতে সুরক্ষিত থাকে, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

পাঁচ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কমিটি

শামা ওবায়েদ জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, তথ্য এবং আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সাইবার আইন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মতামত সংগ্রহ করা।

তিনি বলেন, সাইবার জগতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত গ্রহণ করা হবে। এরপর মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকারকে সামনে রেখে একটি সঠিক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনলাইন বুলিং ও নারীর প্রতি সহিংসতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনলাইন বুলিং এবং নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের হয়রানি ও আক্রমণাত্মক আচরণের শিকার হচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে নারীর প্রতি সহিংসতা, অশ্লীল ভাষার ব্যবহার ও বুলিং ব্যক্তিগত ক্ষতির পাশাপাশি সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এসব কর্মকাণ্ডকে শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কারণ এর প্রভাব ধীরে ধীরে সামাজিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর পড়তে পারে।

সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে গুরুত্ব

শামা ওবায়েদের ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের অভাব এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কনটেন্ট সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নারীর প্রতি সহিংসতা, অশ্লীলতা ও বুলিংয়ের মতো কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সামাজিক মূল্যবোধ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, এসব সমস্যা মোকাবিলায় শুধু আইন করলেই হবে না; একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সাইবার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চায়, যা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে সাইবার অপরাধের ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই নতুন আইনে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সাইবার জগতের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এজন্য আইন প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হবে।

নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তায় ভারসাম্য

নতুন আইন তৈরির ক্ষেত্রে নাগরিকের অধিকার এবং সাইবার নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, আইনটি এমন হতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সাইবার হয়রানি ও অপরাধ থেকে সুরক্ষা পান এবং একই সঙ্গে মানুষের মৌলিক অধিকারও যথাযথভাবে সংরক্ষিত থাকে।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে একটি কার্যকর ও যুগোপযোগী কাঠামোর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা সাইবার জগতের বর্তমান পরিস্থিতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এবং নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্বও বাড়ছে। ফলে অনলাইন বুলিং, অপপ্রচার, নারীর প্রতি সহিংসতা ও অন্যান্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইনি কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category