1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক
Thursday, 10 September 2026, 04:17 pm
Headline :
বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: পানিসম্পদ মন্ত্রী শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ আইন অনুযায়ী নির্ধারণ হবে: আইনমন্ত্রী পলিথিন-প্লাস্টিক বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যবসায়ীদের হয়রানি করে কর আদায় নয়: অর্থমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মামুনুল হক মেডিক্যাল কলেজে আসন বাড়ানোর পরিকল্পনা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসা থেকেই অফিসের কাজ করছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী, দ্রুত ফিরবেন সচিবালয়ে রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক

  • Update Time : Thursday, 10 September, 2026, 03:02 pm
  • 4 Time View
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী



স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক

জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তবে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি সমর্থিত নির্দিষ্ট প্রার্থী থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে। আইন অনুযায়ী যোগ্যতা থাকা প্রত্যেক বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থীর প্রতি বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

দলীয় প্রতীক না থাকলেও কোনো প্রার্থী কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা স্থানীয়ভাবে ভোটারদের কাছে পরিচিত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তবে কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় থাকাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে যাতে সম্ভব হলে একজন করে প্রার্থী রাখা যায়, সে বিষয়ে দলটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে এসব প্রার্থী দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী হবেন না; তারা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

তিনি বলেন, দলীয় প্রতীক ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত যেমন বাস্তবতা, তেমনি কোনো এলাকার চেয়ারম্যান প্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, সেটিও স্থানীয় ভোটারদের কাছে অজানা থাকার কথা নয়। তাই রাজনৈতিক পরিচিতি থাকলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নির্দলীয় ব্যবস্থায়।

বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা কোনো বিশেষ সুবিধা পাবেন কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা। কোনো দল বা প্রার্থীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

তার ভাষ্য, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আইন অনুযায়ী যোগ্যতা থাকা সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দিতে হবে। প্রার্থীরা যাতে নিরাপদ পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন এবং ভোটাররা যাতে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রশাসন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সেই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, সরকারের অবস্থান পরিষ্কার—এটি দলীয় নির্বাচন নয়। তাই আইন অনুযায়ী যোগ্যতা থাকা প্রত্যেক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হবে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থী এবং ভোটারের জন্য সমান সুযোগ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সময়মতো সম্পন্ন করতে চায় সরকার। এসব নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

এদিকে সচিবালয়ের বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব রয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি জানান, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কার্যক্রমে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করে আসছে। এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচিতে যুক্তরাজ্য ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ করেছে।

জাতীয় নগর উন্নয়ন কর্মসূচি এবং নতুন জাতীয় নগর উন্নয়ন নীতি প্রণয়নেও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করেছে বলে জানান সারাহ কুক। ভবিষ্যতে ওই অংশীদারিত্ব থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, বৈঠকে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহের কথাও জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং মানুষের সহনশীলতা বাড়াতে কাজ করতে চায় যুক্তরাজ্য। সুন্দরবন এলাকায় চলমান বিভিন্ন কার্যক্রমের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন এলাকায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন বা ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ প্রকল্পেও ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে।

পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের জন্য যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট টিম বা যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৮ সাল থেকে অর্থবছর ১ এপ্রিল শুরু হয়ে ৩১ মার্চ শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হলেও সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন থাকায় পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগবে।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category