1. dailymorningvoice@gmail.com : dailymorningvoice : ismail hossain
  2. jahid@gmail.com : jahid hasan : jahid hasan
  3. hafejjubayera@gmail.com : Jubayer Ahmad : Jubayer Ahmad
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রশংসা, অভিনন্দন রাষ্ট্রপতির
Friday, 25 September 2026, 07:54 pm
Headline :
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রশংসা, অভিনন্দন রাষ্ট্রপতির সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জরুরি বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুর্কি ও পাকিস্তানি সেনাপ্রধান হুতিদের ঘিরে প্রথম পরীক্ষায় মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সামনে জটিলতা বাংলাদেশ-ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা নিয়ে সমঝোতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ গঙ্গার পানিবণ্টনে নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ৮ অক্টোবর মেধার মূল্যায়নে দলীয় প্রভাব নয়, সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের জাতিসংঘে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রশংসা, অভিনন্দন রাষ্ট্রপতির

  • Update Time : Friday, 25 September, 2026, 07:48 pm
  • 5 Time View




জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রশংসা, অভিনন্দন রাষ্ট্রপতির

 

ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রশংসা করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের প্রত্যাশা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

 

শুক্রবার দেওয়া এক অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থান আরও দৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার উঠে এসেছে। একই সঙ্গে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ও ভাষণে প্রকাশ পেয়েছে।

 

দেশ পুনর্গঠনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উত্থাপিত ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘থ্রি আর’ কৌশলের কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, এই কৌশলের মাধ্যমে দেশের পুনর্গঠনের একটি দিকনির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তুলে ধরা হয়েছে।

 

বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান

 

রাষ্ট্রপতির অভিনন্দনবার্তায় বলা হয়, জাতিসংঘের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও বহুপক্ষীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়েছে।

 

রাষ্ট্রপতি মনে করেন, এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে দেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন অগ্রাধিকারও স্পষ্ট হয়েছে।

 

অভিনন্দনবার্তায় বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান চাপের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে কঠিন করে তুলছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে এসব সংকটের যে চিত্র উঠে এসেছে, সেটিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

 

সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তির আহ্বান

 

জাতিসংঘকে একটি সমঝোতাভিত্তিক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি।

 

তিনি বলেন, সংঘাতপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে সংলাপ, কূটনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার যে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে এসেছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ ও সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাও এতে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

রাষ্ট্রপতির ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর সমাধানে সংলাপ ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয় হিসেবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’ স্লোগানের কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

 

তিনি বলেন, এই প্রত্যয়ের মধ্যে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।

 

রাষ্ট্রপতির মতে, জনগণের কল্যাণ, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অবস্থান তুলে ধরার বিষয়টিও এতে স্পষ্ট হয়েছে।

 

জাতিসংঘে একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য

 

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন।

 

এ ঘটনাকে তিনি একটি জাতির জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতির বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়া তাৎপর্য বহন করে।

 

অভিনন্দনবার্তার শেষাংশে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। পাশাপাশি তাঁর নিরাপদ ও সফল সফরের জন্য শুভকামনা জানান তিনি।

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতির এই অভিনন্দনবার্তায় দেশের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন সংকটে বাংলাদেশের অবস্থানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

Facebook Comments Box
Please follow and like us:
Pin Share
More News Of This Category