মির্জা ফখরুলকে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ও দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের আরও দুই নেতা বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) পাঠানো এক বার্তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বার্তায় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নতুন দায়িত্ব পালনে সফলতা কামনা করে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশার কথাও জানান।
অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তাঁর শপথ গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।
দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্টের চেয়ারম্যান শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও পৃথক বার্তায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। তাঁরা বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে তাঁর সফলতা কামনা করেন।
অভিনন্দন বার্তাগুলোতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আমিরাতের আগ্রহের কথা জানানো হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, দেশটি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছে। বিশেষ করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে দেশটির।
বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগও এই সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশি নাগরিকদের একটি বড় অংশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত রয়েছেন। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে জনসম্পৃক্ততার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
নতুন নেতৃত্বের সময়ে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে—এমন প্রত্যাশাই প্রতিফলিত হয়েছে আমিরাতের শীর্ষ নেতৃত্বের অভিনন্দন বার্তায়। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দেশটির আগ্রহকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।